শুক্রবার (০২ আগস্ট) সন্ধ্যায় প্রথমে খুলনায় হিজরি সনের শেষ ও হজের মাস জিলহজের চাঁদ দেখা যায় বলে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. হেলাল হোসেন।
তিনি বলেন, সন্ধ্যায় জেলা স্টেডিয়াম এলাকা থেকে আমরা আকাশে জিলহজের চাঁদ দেখতে পাই।
এদিকে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলন করে চাঁদ দেখা যাওয়ার বিষয়টি জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
এসময় ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্যসচিব আনিসুর রহমান, বায়তুল মোকাররম মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (০১ আগস্ট) সৌদি আরবের তুমাইর এলাকায় জিলহজ মাসের চাদঁ দেখা যায় বলে জানায় দেশটির চাঁদ দেখা কমিটি। তাই সেখানে শুক্রবার থেকে জিলহজ মাসের গণনা শুরু হয়েছে। এর ফলে ৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এ দিন সন্ধ্যার পরপরই মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশে রওনা হবেন হাজিরা।
শুক্রবার (০৯ আগস্ট) সারাদিন মিনায় অবস্থান করে সে দিন রাতে আরাফাতের ময়দানের দিকে যাত্রা করবেন তারা। পরদিন আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুৎবা দেওয়া হবে।
হজের খুৎবা শেষে সেখানে জোহর ও আসরের নামাজ পড়বেন হাজিরা। সে দিন সূর্যাস্তের পর আরাফাত থেকে মুজদালিফায় যাবেন। সেখানে গিয়ে তারা মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে সারারাত অবস্থানের পর শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নেবেন বিভিন্ন দেশ থেকে হজ সফরে যাওয়া বিভিন্ন দেশের হজযাত্রীরা। রোববার ফজরের নামাজ শেষে বড় জামারায় (প্রতীকী বড় শয়তান) পাথর নিক্ষেপ করতে মিনায় যাবেন তারা। পাথর নিক্ষেপ শেষে পশু কোরবানি দেবেন তারা।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে হজ করতে সৌদি আরবে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন যাওয়ার কথা। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সাত হাজার ১৯৮ ব্যালটি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৬ হাজার ৪০১ নন-ব্যালটি হজ করতে যাচ্ছেন। এছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ২৫ লাখ হজ পালনার্থীর সৌদি আরবে পৌঁছার কথা।
বাংলাদেশ সময়: ০৭১১ ঘণ্টা, আগস্ট ০২, ২০১৯
এমআরএম/এমইচ/এমএমইউ/টিএ