সোমবার (১৯ আগস্ট) দিবাগত গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়। সাহেব আলী রাজবাড়ী সদর উপজেলার মাটিপাড়া গ্রামের মনসের আলীর ছেলে।
ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান বুলু বাংলানিউজকে জানান, সোমবার গুরুতর অবস্থায় সাহেব আলী হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তার মৃত্যু হয়।
এদিকে সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৭০ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩৫৭ জন। গত ২০ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৯ জন চিকিৎসা নিয়েছেন।
সাহেব আলীর জামাতা জাহাঙ্গীর মোল্লা জানান, ঈদের আগের তিনি ঢাকায় বেড়াতে যান। জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঈদের পরের দিন রাজবাড়ী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকালে জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাটিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৯ জুলাই ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার লোহারটেক বাছার ডাঙ্গী গ্রামের সেলিম বিশ্বাস (৪০), ০১ আগস্ট মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকার শারমীন (২২), ০৯ আগস্ট গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর উপজেলার ডোমরাকান্দি গ্রামের মাহাবুব হোসেনের স্ত্রী লিপি আক্তার (২৫), ১৭ আগস্ট মাগুরা সদরের চাঁদপুর এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে সুমন বাশার বাবু (২২) নামে এক কলেজছাত্র, রাজবাড়ীর সুলতানপুর গ্রামের ইউনুস শেখ (৫৫) এবং ১৮ আগস্ট সদর উপজেলার গোরডাঙ্গীর চর এলাকায় শেখ সফিউদ্দিনের ছেলে দেলোয়ার হোসেনের (৪০) মৃত্যু হয়।
এছাড়াও ০৫ আগস্ট ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা সদরের কামার গ্রামের কানাই সাহার মেয়ে স্কুলছাত্রী অথৈ সাহার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ফরিদপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আট জনের মৃত্যু হলো।
বাংলাদেশ সময়: ১১৩৯ ঘণ্টা, আগস্ট ২০, ২০১৯
আরএ