শুক্রবার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাতে মাধবদী শহরের টাটাপাড়া মহল্লার একটি বালুর মাঠে এই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, একটি পাইপগান ও আট রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ।
নিহত মিঠুন মাধবদী থানার টাটাপাড়া মহল্লার জাকির হোসেনের ছেলে। আটকরা হলেন- টাটাপাড়ার দুলাল মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া (২২), জহিরুল ইসলামের ছেলে মাইনুল ইসলাম (২৪) ও হারুন রশিদের ছেলে মেহেদী হাসান (২৫)।
নরসিংদী জেলা ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল গাফফার বাংলানিউজকে বলেন, মিঠুন মাধবদীর চিহ্নিত মাদক ও অস্ত্র বিক্রেতা। শুক্রবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিঠুনকে তার সহযোগী সোহেলসহ নারায়ণগঞ্জের কাঞ্চন এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে রাতে তার দেওয়া তথ্যমতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য তাকে সঙ্গে নিয়ে টাটাপাড়ায় অভিযানে যায় ডিবি পুলিশ। এসময় আগ থেকে প্রস্তুতি নিয়ে থাকা মিঠুনের সহযোগীরা পুলিশের ওপর অতর্কিত গুলি চালায়। এসময় পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে বেশ কয়েকজন পালিয়ে যান। একইসঙ্গে সহযোগী সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে মিঠুন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে মিঠুনের সহযোগী তিনজনকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, একটি পাইপগান ও আট রাউন্ড গুলিসহ আটক করা হয়।
নিহত মিঠুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদক সংক্রান্ত ১২ টির বেশি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায়ও মাধবদী থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বাংলাদেশ সময়: ২০৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ৩১, ২০১৯
টিএ