বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরপর্বে আওয়ামী লীগের সদস্য মোজাফফর হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা আস্তে আস্তে কৃষি ক্ষেত্রে যান্ত্রিকীকরণে যাচ্ছি। জমি চাষ এবং ধান মাড়াই যন্ত্রের সাহায্যে হচ্ছে। সফল লাগানো এবং কাটাও যান্ত্রিকীকরণে যাবো। লাগানো এবং কাটার যন্ত্রের দাম বেশি। এ যন্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণেরও প্রয়োজন আছে।
তিনি আরও বলেন, একটি যন্ত্রের দাম ২০/২৫ লাখ টাকা। এত টাকা কৃষক পাবে কোথায়। তবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সরকার অর্ধেক থেকে ৭০ শতাংশ টাকা দেবে। একটি যন্ত্রের দাম যদি ১০ লাখ টাকা হয়, সেটা কিনতে সরকার কৃষককে ৫ লাখ টাকা দেবে। আর প্রান্তিক কৃষককে ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ১০ লাখ টাকা যন্ত্রের দাম হলে সরকার দেবে ৭ লাখ টাকা। এর জন্য আমরা প্রকল্প তৈরি করেছি। প্রধানমন্ত্রী অনুমতি দিয়েছেন। কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণে সরকার সবধরনের পদক্ষেপ নেবে এবং পর্যাপ্ত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কৃষক ফসল আবাদ করে ন্যায্যমূল্য পাবে না, এটা হতে পারে না। আমরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার নির্দেশ দিয়েছি। আমাদের একটি টিম যাবে উপজেলা পর্যায়ে। যে সব কর্মকর্তারা কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনেনি তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে ধান কেনার আগে থেকেই কৃষকদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা কৃষি অফিসে টাঙিয়ে দেওয়া হবে। যারা ধনী কৃষক, তাদের কাছ থেকে কেনা হবে ২০ শতাংশ, মধ্যবৃত্ত কৃষকের কাছ থেকে ৩০ শতাংশ আর বাকিটা কেনা হবে প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে। এটা করলে বাজারে প্রভাব পড়বে, কৃষক ধানের দাম পাবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৩৬ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯
এসকে/আরবি/