বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল শহরের কাউনিয়ায় অবস্থিত আসামি সুমনের ফুফুর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সুমন উপজেলার দেবত্র গ্রামের আফজাল খানের ছেলে।
এরআগে, গত রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে মঠবাড়িয়া থানায় নির্যাতনের শিকার ওই গৃহকর্মী বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে গণধর্ষণ মামলা করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই গৃহকর্মী তার বাড়ি থেকে গত শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পার্শ্ববর্তী দেবত্র গ্রামের জনৈক আজাদুর রহমানের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। তখন আসামিরা জোর পার্শ্ববর্তী সাত ঘর সরকারি ক্লিনিকের ছাদে ওপর নিয়ে যায়। এরপর আসামিরা ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণের সময় আসামিরা পাহারা বসিয়ে একের পর এক ধর্ষণ করেন। এরপর আসামিরা ওই মেয়েটিকে নিয়ে ক্লিনিকের ছাদে অবস্থান করলে গভীর রাতে প্রতিবেশি আ. রহমান নামের এক ব্যক্তি মাছ ধরতে যাবার সময় টর্চ লাইটের আলোতে আসামিদের দেখতে পায়। তখন ওই গৃহকর্মীকে ফেলে আসামিরা পালিয়ে যায়।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল্লাহ বাংলানিউজকে জানান, এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।
বাংলাদেশ সময়: ২১২৯ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯
এনটি