ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ শাবান ১৪৪৫

রাজনীতি

এরশাদের জন্মদিন সোমবার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১১১১ ঘণ্টা, মার্চ ২০, ২০২৩
এরশাদের জন্মদিন সোমবার ফাইল ফটো

ঢাকা: জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৯৪তম জন্মদিন সোমবার (২০ মার্চ)। তার জন্মদিন উপলক্ষে জাতীয় পার্টি ও বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদের পক্ষ থেকে পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

দিনটি উপলক্ষে এরশাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কেক কাটা, কোরআন খতম ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

সাবেক এ রাষ্ট্রপতি ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন পান ১৯৫২ সালে। তিনি ১৯৭৫ সালের ২৪ আগস্ট মেজর জেনারেল পদে উন্নীত হন।

এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণ করেন ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ। ১৯৮৬ সালে তার প্রতিষ্ঠিত দল জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি দেশে উপজেলা পদ্ধতি চালু করেন। বিরোধীদলের লাগাতার আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন। এরপর গ্রেফতার হয়ে ছয় বছর কারারুদ্ধ থাকেন প্রয়াত সাবেক এ রাষ্ট্রপতি।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক কীর্তি গড়েছেন পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। কারাগারে থাকাকালীন ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে পাঁচটি করে আসনে জয়ী হন এরশাদ। জেলে থেকে নির্বাচনের এমন বিজয় সাফল্যের নজিরও নেই ইতিহাসে। কোনো নির্বাচনে না হারার রেকর্ডও আছে তার।

এরশাদের হাতে গড়া রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি বর্তমান সংসদে প্রধান বিরোধীদল। দশম জাতীয় সংসদেও প্রধান বিরোধীদল ছিল জাতীয় পার্টি। ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অনন্য রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয় দলটি। তৃতীয় ও চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিল জাতীয় পার্টি। এরপর থেকে প্রতিটি সংসদেই প্রতিনিধিত্ব ছিল তাদের।

১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সরকার গঠনে জাতীয় পার্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এছাড়া প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনের পরে সরকার গঠনেও জাতীয় পার্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশি দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে এ দল। বড় ধরনের বহু ভাঙনের পরও অস্তিত্ব ধরে রেখেছে এরশাদের গড়া দলটি।

তবে জীবন দশায় দলের দায়িত্ব ছোট ভাইয়ের হাতে তুলে দিয়ে ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান তিনি।

প্রসঙ্গত, সাবেক এ সেনাপ্রধান ও পাঁচবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য এরশাদ ১৯৩০ সালের ২০ মার্চ কুড়িগ্রাম শহরের ‘লাল দালান’ বাড়িখ্যাত নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১১১১ ঘণ্টা, মার্চ ২০, ২০২৩
এসএমএকে/জেডএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।