ঢাকা, বুধবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৯ মে ২০২৪, ২০ জিলকদ ১৪৪৫

রাজনীতি

ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েও বিএনপি ব্যর্থ: কাদের

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪২১ ঘণ্টা, এপ্রিল ৪, ২০২৪
ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েও বিএনপি ব্যর্থ: কাদের

ঢাকা: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ, ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েও ব্যর্থ।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আগামী ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস পালনের প্রস্তুতি ও খুলনা বিভাগীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির অভিশাপ দণ্ডিত পলাতক তারেক রহমান। তিনি যতদিন বিএনপির নেতৃত্বে থাকবেন ততদিন বিএনপি সঠিক পথে আসবে না।  দলটি ভুলের চোরাবালিতেই আটকে থাকবে ৷ লন্ডন থেকে যার হুকুমে বিএনপি চলে তার ফ্রি স্টাইল নেতৃত্ব এখন বিএনপি নেতাদের মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। তারা বুঝতে শুরু করেছে -তারেক রহমান যতদিন নেতৃত্বে আছেন ততদিন বিএনপি ভুলের চোরাবালিতে আটকে আছে। এখান থেকে তারা আর বের হতে পারবে না।

তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজনীতি করবে রিমোট কন্ট্রোলে, এটা কি হয়! সাহস থাকলে দেশে আসুন, রাজনীতি করুন। জেলে যাওয়ার সাহস রাখুন। লন্ডন থেকে ডাকে আর কেউ সাড়া দিক জনগণ সাড়া দেবে না। আজকে বিএনপি নেতারাও এই আন্দোলনের ডাককে ভুয়া বলে। ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েও বিএনপি ব্যর্থ। বিএনপি নেতাদের শোওয়ার ঘরে, রান্নাঘরে ভারতীয় পণ্য। তথাকথিত এই ডাক ভাওতাবাজি। এই ভাওতাবাজির অবসান হয়েছে। আজকে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি দিশেহারা।

আওয়ামী লীগই একমাত্র দল যারা দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা করে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির নিজেদের মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা নেই। যাদের নিজের ঘরেই গণতন্ত্র নেই তারা দেশের গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলে কোন মুখে? ৭৫ এর নৃশংসতম ঘটনা ঘটিয়েছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় হন্তারক তারা। গণতন্ত্রের হত্যাকারীরা গণতন্ত্রের নামে মায়া কান্না করে। শুনেও হাসি পায় -বিএনপি এখন গণতন্ত্রের কথা বলে।

এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় অংশ নেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত এই সভায় তিনি মফস্বলের হাসপাতালগুলোর মান উন্নত করার আহ্বান জানান।  

তিনি বলেন, দেশের মফস্বলের কোন কোন হাসপাতাল দেখে মনে হয় যেন আস্তাবল। হাসপাতাল যেন আস্তাবল না হয়। ডাক্তার আছে, ওষুধ নেই। আইসিইউ- এর মতো জরুরি বিষয়টি উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত থাকা দরকার।

উপ-কমিটির চেয়ারম্যান আফম রুহুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা প্রমুখ। পরে ৫টি হাসপাতালে উপকমিটির পক্ষ থেকে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৪১৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ৪, ২০২৪
এসকে/এসএএইচ 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।