ঢাকা, শনিবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৫ মে ২০২৪, ১৬ জিলকদ ১৪৪৫

রাজনীতি

বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার পর আমরা বিজয়ের স্বাদ পাই

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬৪০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৬, ২০২০
বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার পর আমরা বিজয়ের স্বাদ পাই বক্তব্য রাখছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক

ঢাকা: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয়ী হলেও এর পরিপূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করি ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস ২০২০ উপলক্ষে ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা নির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি বলতেন সোনার বাংলা গড়তে সোনার মানুষ চাই। তাই তিনি একমুখী ও অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেন। আজ নানামুখী শিক্ষা দিতে গিয়ে আমরা বৈষম্যের মধ্য পড়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তিবান্ধব ছিলেন। মৃত্যুর কিছু দিন আগে ৩ জুলাই একটি নির্দেশ জারি করলেন এক বছরের মধ্যে ৯০ হাজার রেডিও তৈরি করতে হবে। সেখানে ৭৫ হাজার এক ব্র্যান্ডের রেডিও ও বাকিগুলো দুই থেকে তিন ব্র্যান্ডের রেডিও থাকবে। তিনি এক ব্র্যান্ডের রেডিওর দামও নির্ধারণ করে দিলেন ২১০ থেকে ২৫০ টাকা। যাতে জনগণের মধ্যে এভেল এভেল হয়। শুধু তাই নয়, ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত টেলিভিশনের লাইসেন্স ফি বাতিল ও এক বছরের মধ্যে ছয় হাজার টিভি সেট তৈরির নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে এগুলোর মূল্য সাড়ে তিন হাজার টাকা নির্ধারণ করেন। তিনি প্রযুক্তির সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন। এভাবেই তিনি প্রযুক্তিকে মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে গেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বঙ্গবন্ধুকে জানতে পারলে আমরা স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিজয়ের ইতিহাসকে মূল্যায়ন করতে পারবো। সবার আগে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে। বঙ্গবন্ধুকে ভালো করে জানতে পারলেই বাংলাদেশকে জানা হবে।  

এজন্য প্রতিমন্ত্রী তরুণদের বঙ্গবন্ধুর রোজ নামচা, আমার দেখা নয়া চীন বই পড়ে রাজনৈতিক বা রাষ্ট্রীয় পর্যায়েই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও বঙ্গবন্ধুর নীতি ও আদর্শ লালনের পরামর্শ দেন।  

তিনি বলেন, আর্কিটেক্ট অব ডিজিটাল বাংলাদেশ সজীব ওয়াজেদের সুপরামর্শ ও দিকনির্দেশনা না থাকলে করোনা মহামারিতে এত দ্রুত আমরা নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারতাম না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সরবরাহসহ সবকিছু সচল রাখা সম্ভব হত না।

পলক বলেন, করোনার মধ্যেও ৬৬ দিন ই-নথির মাধ্যমে সরকারের সব কার্যক্রম সচল ছিল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম বলেন, সাইবার জগতকে যতটা সমৃদ্ধশালী করছি, ততটা ঝুঁকিও বাড়ছে। সাইবার জগতকে নিরাপদ রাখতে আমরা কি আচরণ কররো যদি জনগণকে বুঝাতে পারি তাহলে ২০৪১-এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারবো।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৭ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৬, ২০২০
এসএমএকে/আরবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।