ঢাকা, রবিবার, ১৬ আশ্বিন ১৪২৯, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

রাজনীতি

নয়াপল্টনে ভোলায় নিহত বিএনপিকর্মীর গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১২৩৩ ঘণ্টা, আগস্ট ১, ২০২২
নয়াপল্টনে ভোলায় নিহত বিএনপিকর্মীর গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত

ঢাকা: ভোলায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবদুর রহিমের গায়েবানা জানাজা রাজধানীর নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত  হয়েছে।  

সোমবার (১ আগস্ট) বেলা এগারোটার দিকে এই জানাজা হয়।

জানাজায় বিএনপি, অংগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা নিহত আব্দুর রহিমের রুহের মাগফিরাত কামান করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। জানাজা পরিচালনা করেন ওলামা দলের আহবায়ক মাওলানা শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হক।

জানাজায় অংশ নেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহবায়ক আবদুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নির্বাহী সদস্য আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন প্রমুখ।  

অন্যান্য দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, লেবার পার্টির ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় দলের অ্যাডভোকেট এহসানুল হুদা, এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান প্রমুখ।

জানাজার আগে মহসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, এই ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের পুলিশের গুলিতে আমার ভাইয়ের রক্ত ঝড়েছে। ভোলায় বিনা উস্কানিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ গুলিবর্ষণ করেছে। আমাদের স্বেচ্ছাসেবক দলের ভাই আব্দুর রহিমকে হত্যা করেছে। আহত হয়েছেন ভোলা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি। কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম মোশারফ হোসেনসহ শতাধিক নেতাকর্মীকে গুলি করে আহত করা হয়েছে। একটা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি, বিদ্যুতের দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ। সেই সমাবেশে আজকে ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার আওয়ামী সরকারের পুলিশ দিয়ে গুলিবর্ষণ করে তারা জানান দিয়েছে যে তারা আন্দোলনকে দমন করতে চায়। কিন্তু এটা প্রমাণিত হয়েছে এই দেশের মানুষ এই ফ্যাসিবাদী সরকারের দমননীতিকে ভয় করবে না। তারা দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য জীবন দিয়ে হলেও দেশ রক্ষা করবে।

তিনি বলেন, আমরা আব্দুর রহিমের রক্তকে বৃথা যেতে দিতে পারি না। তাই এই শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করতে হবে। তার এই রক্ত দেওয়া তার এই আত্মত্যাগকে আমাদেরকে ধারণ করে আমাদেরকে আরও গতিশীল হয়ে আরও দুর্বার হয়ে আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এই সরকারকে পরাজিত করতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১২১০ঘণ্টা, আগস্ট ০১, ২০২২

এমএইচ/ইআর

 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa