ঢাকা, সোমবার, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পটিয়ার উন্নয়নই আমার লক্ষ্য: হাবিব হাসনাত

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪:০৫, আগস্ট ৩১, ২০২৫
পটিয়ার উন্নয়নই আমার লক্ষ্য: হাবিব হাসনাত ...

চট্টগ্রাম: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যাংকার ও পেশাজীবী নেতা সৈয়দ হাবিব হাসনাত প্রথমবারের মতো নিজ এলাকায় রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম ভেল্লাপাড়ার মিয়া বাড়িতে তিনি উঠান বৈঠকের আয়োজন করেন।

সেখানে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত হয়ে তাকে স্বাগত জানান।  

এর আগে শুক্রবার তিনি পটিয়ায় রশিদাবাদ পল্লী মঙ্গল সমিতির কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ক্যারিয়ার টক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম সওদাগরের সভাপতিত্বে ও বিএনপি নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি নেতা সৈয়দ মহিউদ্দিন আনসার।

উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ হাবিব হাসনাত বলেন,পটিয়ার মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও অবহেলা দূর করাই আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের অধিকার আদায়ে আমি সর্বদা আপোষহীন ভূমিকা পালন করব। পটিয়াবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই আগামীর পথচলা শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি জনগণের দল। এ দলের শক্তি হচ্ছে তৃণমূল। পটিয়ার প্রতিটি মানুষই আমার পরিবার, আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই সবসময়। আমার একটাই লক্ষ্য পটিয়ার উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার আদায়। মহান আল্লাহর রহমতে আমি আপনাদের প্রত্যাশার জায়গায় একজন দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে থাকতে চাই।

তিনি বলেন, এই বৈঠকের উদ্দেশ্য একটাই-আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শামিল হই। আমরা চাই একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা আবারো জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করব, যেখানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্ন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্ব বাস্তবে রূপ নেবে।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সৈয়দ হাবিব হাসনাতের মাঠে নামা বিএনপির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। কারণ দীর্ঘদিন পর এ আসনে একজন সম্ভাব্য প্রার্থী তৃণমূলের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন শুরু করলেন। এতে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হতে পারে।

কৈয়গ্রাম এলাকার প্রবীণ ভোটাররা জানান, বিএনপি যদি সংগঠিতভাবে মাঠে কাজ করতে পারে তবে আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হবে। আর তরুণ ভোটাররা বলছেন, নতুন প্রার্থী এলাকায় আশার সঞ্চার করেছেন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, দীর্ঘদিন পর বিএনপির একজন সম্ভাব্য প্রার্থীর মাঠপর্যায়ে সরাসরি জনগণের সাথে সংযোগ স্থাপন নির্বাচনকে নতুন মাত্রা দেবে। এ বৈঠককে ঘিরে এলাকায় উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এস এম মিজানুর রহমান, বিএনপি নেতা শহিদুল আলম, জিরি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কাসেম, যুবদল নেতা মো. হাসান, পটিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক আনসার, কুসুমপুরা ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোর্শেদ আলম বাচ্চু, আব্দুল মান্নান, মোহাম্মদ জাবেদ, নেজাম, শাফায়াত, এনাম, নজরুল, আমান,  শামীম, হৃদয়, শাহেদ, ইমন, সামির, জিসান, নিজাম, শাহাদাত, আবুল কাশেম, রাশেদ, সালেম, ফারুক, আরিফ, মনজুরুল প্রমুখ।

এসি/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।