ঢাকা, সোমবার, ১ বৈশাখ ১৪৩১, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৫

দিল্লি, কলকাতা, আগরতলা

কর্ণাটক বিধানসভা জয়ের খুশিতে শামিল ত্রিপুরার কংগ্রেস নেতাকর্মীরা 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬০১ ঘণ্টা, মে ১৩, ২০২৩
কর্ণাটক বিধানসভা জয়ের খুশিতে শামিল ত্রিপুরার কংগ্রেস নেতাকর্মীরা 

আগরতলা (ত্রিপুরা): মোদি ম্যাজিককে কার্যত মাটিতে কুচলে ফেলে ভারতের দক্ষিণের রাজ্য কর্নাটকে জয়ের হাসি হাসছে কংগ্রেস দল।  

শনিবার (১৩ মে) ভোটের ফলাফল গণনায় সে রাজ্যে বিধানসভায় ক্ষমতাশীন বিজেপিকে অনেকটা পেছনে ফেলে নিশ্চিত জয়ের দিকে এগিয়ে চলছে কংগ্রেস।

২০২৪ সালে দেশের লোকসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণের রাজ্যের এই জয়ে রীতিমতো উৎফুল্ল  কংগ্রেস শিবির। তাই এখন ভারতের প্রতিটি রাজ্যের কংগ্রেস ভবনেই বাঁধনভাঙা উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এই আনন্দ থেকে বাইরে নয় দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের একেবারে প্রান্তিক রাজ্য ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস। এদিন কর্ণাটক রাজ্যের ভোটের ফলাফল যত গণনা হচ্ছিল এবং কংগ্রেস যত আসনে এগিয়ে যাচ্ছিলো আগরতলার কংগ্রেস ভবনের তত ভিড় বাড়তে শুরু করে। দুপুর হতে না হতেই কংগ্রেস দলের কর্মী সমর্থকরা বাজি পুড়িয়ে কর্নাটকের জয়ের আনন্দে শামিল হয়ে যান। বাজি পোড়ানোর পাশাপাশি দলীয় পতাকা, জাতীয় পতাকা এবং রাহুল গান্ধীর ছবি হাতে নিয়ে নেতাকর্মীরা আনন্দে শামিল হন।

উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বিরোজিৎ সিনহা। তিনি বলেন, কর্নাটকে একাই সরকার গড়ছে কংগ্রেস। এবারের এই ফলাফল প্রমাণ করে দেয় যে দক্ষিণ ভারতের মানুষ বিভাজনের রাজনীতি পছন্দ করে না। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি সে রাজ্যে বিজেপির হয়ে প্রচার করতে গিয়ে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন তাকে ভোট দেওয়ার জন্য, কিন্তু মানুষ তার কথা প্রত্যাখ্যান করেছে। মানুষ যে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে আর চায় না তা প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। কর্নাটকের ভোটারদেরকে ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের তরফেও ধন্যবাদ জানান তিনি।  আগামী দিনে আরও পাঁচটি রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এই নির্বাচনগুলোতেও বিজেপির ভরাডুবি হবে বলে দাবি করেন তিনি।

বিরোজিৎ সিনহা আরও বলেন, ভোটের প্রচারে গিয়ে বিজেপি নেতারা রাহুল গান্ধী এবং গান্ধী পরিবারকে নিয়ে যে পরিমাণ কুৎসা করেছেন তা সে রাজ্যের মানুষ মেনে নিতে পারেনি। এটিও বিজেপির ভরাডুবির আরও একটি কারণ।  

বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৯ ঘণ্টা, মে ১৩, ২০২৩
এসসিএন/এসএ
 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।