ঢাকা, বুধবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৯ মে ২০২৪, ২০ জিলকদ ১৪৪৫

দিল্লি, কলকাতা, আগরতলা

কলকাতায় বঙ্গবন্ধু-রবীন্দ্রনাথ নিয়ে আতিউর রহমানের বই প্রকাশিত

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৩৫২ ঘণ্টা, জুন ১৩, ২০২৩
কলকাতায় বঙ্গবন্ধু-রবীন্দ্রনাথ নিয়ে আতিউর রহমানের বই প্রকাশিত

কলকাতা: বাংলাদেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমানের লেখা বই প্রকাশ পেল কলকাতায়। ইংরেজি ভাষায় লেখা এই বইয়ের নাম ‘টু ওয়ার্ডস গোল্ডেন বেঙ্গল থট অব টেগর অ্যান্ড বঙ্গবন্ধু অন ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট’।

বইটি প্রকাশ করেছে জার্নিম্যান।

সোমবার (১২ জুন) কলকাতা প্রেসক্লাবে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রেস শাখার প্রথম সচিব রঞ্জন সেন, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. পবিত্র সরকার, অধ্যাপক মানসী ঘোষ ও কলকাতা প্রেসক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুর।

বইটিতে উঠে এসেছে শিক্ষা, পরিবেশ, কৃষক, শিল্প ও সংস্কৃতি, সক্রিয় সমাজ ও বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চল নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিন্তাধারা। পাশাপাশি উঠে এসেছে সোনার বাংলার দিকে বঙ্গবন্ধুর যাত্রা, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ এবং তার রাজনৈতিক প্রচারণার মূলে অর্থনৈতিক বৈষম্য, জনগণের ভালোবাসা ও বাংলাদেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধুর মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জ। আরও উঠে এসেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তার চিন্তাধারা, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তার অদম্য সমর্থন, নান্দনিক নেতৃত্বসহ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় বাংলাদেশের সমৃদ্ধির দিকে হাঁটা পথগুলো।

বইয়ের ভাবনা নিয়ে ড. আতিউর রহমান বলেছেন, দুই শ্রেষ্ঠ বাঙালির মধ্যে আমি বহু মিল খুঁজে পাই। তাই দুই শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে নিয়ে আমার এই প্রয়াস।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই বাংলার জন্য চেন্নাই থেকে যেমন ধানের বীজ এনেছিলেন, সিন্ধু থেকে গাভী এনেছিলেন, তেমন বঙ্গবন্ধু এই ধরনের সূত্র নিয়ে বাংলাদেশে আধুনিক কৃষি এবং আধুনিক শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু যেমন সমবায়ের পক্ষে ছিলেন রবীন্দ্রনাথও সমবায়ের পক্ষে ছিলেন। দুজনের মধ্যেই আমি মিল খুঁজে পাই, এই সব বিষয়গুলো এই বইতে তুলে ধরা হয়েছে।

অধ্যাপক পবিত্র সরকার বলেন, গোল্ডেন বেঙ্গল নতুন ইংরেজি বইতে বঙ্গবন্ধুর যে স্বদেশ চেতনা, স্বদেশের উন্নয়নের চিন্তা তার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের স্বদেশ ভাবনা মিল রয়েছে। এই দুই বাঙালির কেন্দ্রের মূল ভূমিকা ছিল মানুষের জন্য কাজ করা। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য অবিরাম সংগ্রাম করা। বইটি একটি নথি হতে পারে।

বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আছেন ড. আতিউর রহমান। দুই সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর তার অনন্য কাজের জন্য পরিচিত তিনি। তিনি ইংরেজি ও বাংলায় ৭০টিরও বেশি বই প্রকাশ করেছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার অসংখ্য গবেষণাপত্র প্রকাশ পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসাবে, তিনি জাতির পিতার জীবন ও তার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন দর্শনের ওপর বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৫১ ঘণ্টা, জুন ১৩, ২০২৩
ভিএস/এসআইএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।