ঢাকা, মঙ্গলবার, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৪ মে ২০২২, ২২ শাওয়াল ১৪৪৩

অর্থনীতি-ব্যবসা

বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার হস্তান্তর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৩২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১
বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার হস্তান্তর ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার জন্য নির্মিত ‘বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার’ সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে চীনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না স্টেট কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন।

রোববার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এক্সিবিশন সেন্টারটি আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং উপস্থিত ছিলেন।

চীনের আর্থিক অনুদান ও কারিগরি সহায়তায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মালিকানায় পূর্বাচল নতুন শহরের ৪ নম্বর সেক্টরে চায়না স্টেট কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের মাধ্যমে ২০ একর জমিতে নির্মিত হয়েছে চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ এক্সিবিশন সেন্টারটি।

নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে সেক্টর ৪ এর ৩১২ নম্বর রোডের ২ নম্বর প্লটে ২০ একর জমির ওপর নির্মিত বাংলাদেশ-চায়না ফেন্ডশীপ এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণকাজ শুরু ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবরে। নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর। সেন্টারে মোট ফ্লোর স্পেস ৩৩ হাজার বর্গমিটার, এক্সিবিশন  বিল্ডিংয়ের মোট ফ্লোর স্পেস ২৪ হাজার ৩৭০ বর্গ মিটার, এক্সিবিশন হলের মোট আয়তন ১৫ হাজার ৪১৮ বর্গ মিটার।  এক্সিবিশন হলে মোট স্টল/ বুথ সংখ্যা হলো ৮০০টি। প্রতিটি বুথের আয়তন ৯.৬৭ বর্গমিটার। এতে মোট ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা। এরমধ্যে চীনা অনুদান ৫২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, বাংলাদেশ সরকার ২৩১ কোটি টাকা এবং ইপিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ২১ কোটি ২৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
জিসিজি/এইচএডি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa