জন্মদিন ও বর্তমান ব্যস্ততা নিয়ে শুভ কথা বলেছেন বাংলানিজের সঙ্গেঃ-
বাংলানিউজ: কেমন আছেন?
আরিফিন শুভ: আলহামদুলিল্লাহ্। বেঁচে থাকাই আনন্দের।
বাংলানিউজ: জন্মদিন কেমন কাটছে?
আরিফিন শুভ: আমার অন্যদিনগুলো যেভাবে কাটে, আজকের দিনটিও ঠিক তেমনই কাটছে। সাধারণত জন্মদিনে আমি বিশেষ কোন আয়োজন রাখি না। আজ সারাদিন নতুন সিনেমার (মিশন এক্সট্রিম) ট্রেনিং নিয়ে ব্যস্ত আছি। ২৮ তারিখ পর্যন্ত এ ব্যস্ততা থাকবে।
বাংলানিউজ: এবার জন্মদিনে কী সারপ্রাইজ পেলেন?
আরিফিন শুভ: বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেম, তখন আমার খুব কাছের দুই বন্ধু স্ত্রীসহ বাসায় হাজির হয়ে আমাকে চমকে দিয়েছেন। ভাবতে পারিনি তারা এভাবে আমাকে সারপ্রাইজড করবেন। তাদের সঙ্গে দারুণ কিছু মুহূর্ত কেটেছে।
বাংলানিউজ: ছোটবেলায় আপনার জন্মদিনটা কেমন ছিল?
আরিফিন শুভ: আসলে ছোটবেলায় পরিবার বা আমি ঘটা করে জন্মদিন উদযাপন করার সুযোগ পাইনি। জন্মদিনটা আমাদের কাছে বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়নি।
বাংলানিউজ: জন্মদিনের কোন স্মৃতি মনে পড়ে?
আরিফিন শুভ: জন্মদিন নিয়ে বলার মতো মজার কোনো স্মৃতি আমার নেই। অনেকে হয়তো ঘটা করে জন্মদিন উদযাপন করেন। তবে আমার কাছে মনে হয়- আমি এখনো তেমন কিছু হইনি যে, খুব বড় আয়োজন করে জন্মদিন উদযাপন করতে হবে। আমি চাই মৃত্যুর পর মানুষ আমাকে স্মরণ করুক। আমি যদি জীবদ্দশায় ভালো কিছু করে যেতে পারি তাহলে মানুষ সে কাজগুলোকে স্মরণ করে মৃত্যুর পর শ্রদ্ধাভরে আমার জন্মদিন উদযাপন করুক। সেটাই হবে আমার কাছে বড় পাওয়া। আমি নিজে জন্মদিন উদযাপন করবো, সেটা আমার কাছে অনেকটা বিব্রতকর মনে হয়।
বাংলানিউজ: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সারাদিন ভক্তরা আপনার ছবি ও সেলফি দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। এ বিষয়টা কীভাবে দেখেন?
আরিফিন শুভ: রাত থেকেই ভক্তদের অনেক শুভেচ্ছা পাচ্ছি। এটা আমার কাছে খুব ভালোলাগে। তাদেরকে কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য ধন্যবাদ শব্দটা যথেষ্ট না। তারা আমাকে মনে রাখেন এবং এতো বেশি ভালোবাসেন যে, এক জীবনে এর চেয়ে বেশি আর কিছু পাওয়ার আছে বলে মনে হয় না!
বাংলানিউজ: এখন কী নিয়ে ব্যস্ত আছেন?
আরিফিন শুভ: আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ‘আহা রে’ মুক্তি পাচ্ছে। সিনেমাটির প্রচারণার জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি কলকাতা যাবো, দেশে ফিরব ১২ তারিখ। এরপর আবার ট্রেনিংয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বো। মার্চে ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমা শুটিংয়ে অংশ নেবো।
বাংলাদেশ সময়: ১৮০৯ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০২, ২০১৯
জেআইএম