ঢাকা, শনিবার, ৭ বৈশাখ ১৪৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ১০ শাওয়াল ১৪৪৫

জাতীয়

নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬১০ ঘণ্টা, মার্চ ২৬, ২০২৩
নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান

রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফর উল্লাহ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে গোটা বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় উজ্জীবিত করেছিলেন। তার ভাষণে উজ্জীবিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে রক্তের বিনিময়ে এদেশকে স্বাধীন করেছিলেন।

তাই নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হবে।

রোববার (২৬ মার্চ) দুপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।  

রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব ও সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশের উন্নয়ন’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সভায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফর উল্লাহ্ বলেন, ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বলেছিলেন আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। তিনি সেদিন সব বঞ্চনা, অন্যায়, অবিচার, সাম্প্রদায়িকতা, বৈষম্য ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাই ২৬ মার্চ বাঙালি জাতির জন্য অহংকার ও শৃঙ্খল মুক্তির দিন, বিশ্বের বুকে রক্তে রাঙানো লাল সবুজের পতাকা ওড়ানোর দিন। সোনার বাংলা বিনির্মাণে উজ্জীবিত হওয়ার দিন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বৈশ্বিক অতিমারি করোনার মধ্যেও আমাদের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ২০০টি দেশের মধ্যে আমরা অষ্টম। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল। মহান স্বাধীনতার ৫২তম বছর পেরিয়ে ৫৩তম বছরে এসে আমরা বেশ কিছু গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছি। আমাদের মাথাপিছু আয় বাড়ছে, শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে পদার্পণ করেছি, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণসহ দেশের প্রতিটি সেক্টরে সাফল্য অর্জন করেছি। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তাদের মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল হাদী ও জিন্নাতুন নেসা তালুকদার আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আব্দুল বাতেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনিসুর রহমান, রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) এবিএম মাসুদ হোসেন বক্তব্য দেন।

এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৮ ঘণ্টা, মার্চ ২৬, ২০২৩
এসএস/আরবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।