ঢাকা, সোমবার, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

প্রশ্নফাঁস: চবির সাবেক প্রক্টরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা 

ইউনিভার্সিটি করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২৩:১০, আগস্ট ৫, ২০২৫
প্রশ্নফাঁস: চবির সাবেক প্রক্টরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাবেক প্রক্টর ও যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরীকে দুই বছরের জন্য সব একাডেমিক পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬২তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ৪১৯ নম্বর কোর্সের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটে। পরীক্ষা শুরুর আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা প্রশ্নপত্র হুবহু মূল প্রশ্নের সঙ্গে মিলে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

পরবর্তীতে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আল-আমিনকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে উঠে আসে, পরীক্ষা কমিটির সভাপতির দায়িত্বহীনতা এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকাই প্রশ্নফাঁসের জন্য দায়ী।

তদন্তকালে অধ্যাপক আলী আজগর বলেছিলেন, ‘কম্পোজের জন্য গুগল ড্রাইভে রাখা প্রশ্ন বেহাত হয়ে ফাঁস হয়ে থাকতে পারে। ’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, অধ্যাপক আলী আজগর চৌধুরী আগামী দুই বছর সব ধরনের পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  

এ ছাড়া অধ্যাপক আলী আজগরের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতা করে শিক্ষকদের মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলনের সময় ছাত্রীদের জোর করে হল ত্যাগে বাধ্য করার ক্ষেত্রে তৎকালীন ছাত্র উপদেষ্টা আলী আজগর চৌধুরীর ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় সিদ্ধান্তের পর বিতর্কিত বিষয়গুলো পুনরায় আলোচনায় আসে।

এমএ/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।