ঢাকা, রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

স্টেডিয়াম ঘিরে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয়

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪৪৩ ঘণ্টা, মার্চ ১৬, ২০১৪
স্টেডিয়াম ঘিরে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয় ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রাম: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের জন্য চট্টগ্রাম নগরীতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। ক্রিকেট ভেন্যু জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামকে ঘিরে গড়ে তোলা হয়েছে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয়।



র‌্যাব-পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় আড়াই হাজার সদস্য স্টেডিয়াম, খেলোয়াড়দের যেসব হোটেলে রাখা হয়েছে সেখানে এবং বিমানবন্দরের আশাপাশের সড়কগুলোতে দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তার দায়িত্বে আছে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিট সোয়াতও।

এছাড়া খেলোয়াড়দের হোটেল থেকে স্টেডিয়ামে যাতায়াতের নির্দিষ্ট রুট ভাসমান দোকানদার, ভিক্ষুক, হকার, স্থায়ী-অস্থায়ী স্ট্যান্ডগুলো পরিবহনমুক্ত রাখারও সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। এসব এলাকার ভাসমান মানুষের ছবিসহ তালিকা তৈরি করেছে পুলিশ।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) বনজ কুমার মজুমদার বাংলানিউজকে বলেন, পুরো নগরীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার আছে। স্টেডিয়ামে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা আছে। খেলোয়াড়দের যাত্রাপথ যাতে নির্বিঘ্ন থাকে সেজন্য আগেভাগেই বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

নগর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বকাপ উপলক্ষে চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দুই হাজার ৩৮৩ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নগর পুলিশের পাশাপাশি রেল, শিল্প, জেলা পুলিশ ও এবিপিএন’র মোট পাঁচশ এবং সিআইডির এক’শ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খেলা চলাকালীন সময়ে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার পদমর্যদার ৬ জন, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পদমর্যদার ১১ এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার পদমর্যদার ১৫ জন কর্মকর্তা নিরাপত্তায় নেতৃত্ব দেবেন। পুরো বিষয়টি মনিটরিং করবেন নগর পুলিশের দু’জন অতিরিক্ত কমিশনার।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (সদর) মাসুদুল হাসান বাংলানিউজকে বলেন, খেলোয়াড়দের চলাচলের রাস্তা তাদের যাত্রার সূচী দেখে প্রায় আধাঘণ্টা আগে থেকে বন্ধ থাকবে। টিমের চলাচলের সময় সামনে-পেছনে পুলিশ ও র‌্যাবের চারটি টিম থাকবে।

এদিকে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি-পশ্চিম) এস এম তানভির আরাফাত বাংলানিউজকে বলেন, হোটেল থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত রুটে খেলোয়াড়দের আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে যাতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য আমরা এলাকায় সার্বক্ষণিক অবস্থানকারী হকার, ভিক্ষুক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনের তথ্য সংগ্রহ করেছি। আনা-নেয়ার পুরো সময় যাতে সড়কে কোন ভাসমান লোক থাকতে না পারে, তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছি।

আজ (রোববার) থেকে শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসরের ৩৫টি ম্যাচের মধ্যে ১৫টি অনুষ্ঠিত হবে জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে।  

বাংলাদেশ সময়: ১৪৪০, মার্চ ১৬,২০১৪

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa