ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ৩১ মে ২০২৪, ২২ জিলকদ ১৪৪৫

দিল্লি, কলকাতা, আগরতলা

ভারত বড় দেশ, তাই তাদের কাছে বেশি আশা: কলকাতায় শিল্পমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৫৬ ঘণ্টা, জুন ১৩, ২০২৩
ভারত বড় দেশ, তাই তাদের কাছে বেশি আশা: কলকাতায় শিল্পমন্ত্রী

কলকাতা: বাংলাদেশের শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, ভারত বড় দেশ। তাই আমরা তাদের কাছ থেকে একটু বেশি আশা করি।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে অমীমাংসিত চুক্তিগুলোর মধ্যে অনেক বিষয় সমাধান হলেও কিছু রয়ে গেছে। আমাদের আরও উদার হতে হবে।

মঙ্গলবার(১৩ জুন) কলকাতার পাঁচতারা হোটেল হায়াত রিজেন্সিতে শুরু হওয়া বিমসটেকের ২৫তম শীর্ষ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এই সম্মেলন শেষ হবে ১৫ জুন

মন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি যেসব দেশ নিয়ে সার্ক তৈরি হয়েছিল, তারা আপ টু দ্য এক্সপেক্টেশনে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে সেইদিক থেকে বিমসটেক আলাদা মাত্রা পেতে চলেছে। বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড- এই সাত দেশের আয়তন ও জনসংখ্যার যে আকৃতি, সেই দিক থেকে আগামী দিনে বিমসটেকের চিন্তাধারা আরও বাড়বে এবং ভারতের সমর্থনে আরও এগিয়ে যাবে।  

তিনি বলেন, এ বারের সম্মেলনে বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সসহ প্রতিটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যেমন অংশ নিয়েছে, তেমনি বিমসটেকের অন্য সদস্য দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। ফলে এই উদ্যোগ আগামীতে আলাদা মাত্রা পাবে।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দুই দেশের মুদ্রায় ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাজেটে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। কীভাবে সমস্যাগুলো সমাধান করা যায় এবং এ বিষয়ে কীভাবে ভারত আমাদের সাহায্য করতে পারে, তা দেখা হচ্ছে। আমরা আশাবাদী।

বঙ্গোপসাগরীয় বহুমাত্রিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের শিল্পমন্ত্রীসহ ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইবিসিসিআই) সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমেদ, এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দীন, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মো. সামির সাত্তার ও ডিডাব্লিউসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট নাজ ফারহানা আহমেদ।

বাংলাদেশ থেকে আরও রয়েছেন এমকেকে লজিস্টিকসের এমডি রবিউল আলম, ডিসিসিআইয়ের ডিরেক্টর তাসকিন আহমেদ, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. নাসের, বিমসটেক সচিবালয় পরিচালক মো. মোশারফ হোসেন ও ডিসিসিআইয়ের রিজওয়ান-উর-রহমান।

এই সম্মেলনে শেষ হবে ১৫ জুন। এবারের বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কার পক্ষে উপস্থিত আছেন দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী রমেশ পাথিরানা, লজিস্টিকস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্টের গ্লোবাল চেয়ারপারসন গায়ানি ডি আলউইস, উইমেনস চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড কমার্সের সভাপতি কীরথী গুণবর্ধন।

নেপালের পক্ষে আছেন নেপাল সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী রমেশ রিজাল, এফএনসিসিআইয়ের সভাপতি চন্দ্র প্রসাদ ঢাকাই, বিনিয়োগ বোর্ডের সিইও সুশীল ভট্ট, কনফেডারেশনের সভাপতি বিষ্ণু কুমার আগরওয়াল।  

আরও আছেন মিয়ানমারের বাণিজ্যমন্ত্রী আং নাইং- উ, উইএমএফসিসিআইয়ের সভাপতি আই উইন, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক অর্থনীতি মন্ত্রলায়ের ডিজি থান্ড সিন লুইং।

থাইল্যান্ডের ভাইস মিনিস্টার (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) বিজয়বত ইসারভাকদি, ইন্ডিয়া-থাই চেম্বার অব কমার্সের ডাইরেক্টর মনীষ মহারাজও উপস্থিত রয়েছেন।

ভুটানের পক্ষে আছেন শিল্প, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব তাশি ওয়াংমো, ভুটান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ট্যান্ডি ওয়াংচুক ও সহ-সভাপতি কমল প্রধান, এক্সপোর্ট দপ্তরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোপাল ওয়াইবা লামা।

ভারতের ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স সভাপতি মেহুল মোহাঙ্কা, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী শশী পাজাসহ ভারতের একাধিক বিশিষ্টজন এই সম্মেলনে রয়েছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৩ ঘণ্টা, জুন ১১, ২০২৩
ভিএস/আরএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।