ঢাকা, মঙ্গলবার, ২ বৈশাখ ১৪৩১, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৫

কৃষি

কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন: খাদ্যমন্ত্রী

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮৩৯ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৬, ২০২৩
কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন: খাদ্যমন্ত্রী

নওগাঁ: খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, উৎপাদন বাড়িয়ে কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। কৃষি প্রণোদনা দিয়ে সরকারও কৃষকের পাশে আছে।

সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কৃষকের ভূমিকা অনেক বেশি।  

বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে পোরশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে রবি মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, কৃষকরা যাতে সহজে সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে পারেন, সেজন্য স্টিলের সাইলো নির্মাণ করা হচ্ছে। কৃষক ভেজা ধান নিয়ে গেলেও তাদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। ভেজা ধান ড্রায়ারে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হবে। মজুত ক্ষমতা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশে আরও ২০০ পেডি সাইলো নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। যার মধ্যে ৩০টি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে একনেক।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য নয়, পিছিয়ে পড়া সব জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের আওতায় নানা রকম ভাতা দিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। এতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিয়ে প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় আনার নির্দেশনা দিয়েছেন- উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কৃষকরা বিষয়টি অনুধাবন করে উৎপাদন বাড়াতে মনোযোগী হয়েছেন। আমাদের ফসল উৎপাদন বহুগুণ বেড়েছে বলেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সক্ষম হয়েছি।

মন্ত্রী জানান, দেশে সারের অভাব নেই, পর্যাপ্ত সার মজুত আছে। সেচের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকার সার আমদানিতে ৪৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।  

তিনি জনগণকে দেশের উন্নয়নে সরকারের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালমা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গাজীবুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম এবং নিতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এনামুল হক বক্তব্য দেন।

এ বছর রবি প্রণোদনার আওতায় পোরশা উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, পেঁয়াজ, মুগ, মসুর ও খেসারি ডালের আবাদ বাড়াতে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার পাঁচ হাজার ৭২০ কৃষকের মধ্যে ৩২১০ কেজি বীজ, ৬০ হাজার কেজি ডিএপি সার ও ৫৫ হাজার পঞ্চাশ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়। যার দাম প্রায় ৫৪ লাখ ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা।

পরে মন্ত্রী সমতলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৬৬৬ পরিবারের মধ্যে ১৩ হাজার ৩২০টি মুরগি বিতরণ করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৩৭ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৫, ২০২৩
এসআই

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।