ঢাকা, শুক্রবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৪ মে ২০২৪, ১৫ জিলকদ ১৪৪৫

ভারত

বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে পালিত হলো ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯০৭ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৭, ২০২৪
বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে পালিত হলো ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস

কলকাতা: যথাযোগ্য মর্যাদায় কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন করা হয়েছে।  

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকালে দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ডেপুটি হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস।

এরপর মিশন প্রাঙ্গণে ‘মুজিব চিরঞ্জীব’ মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বানী পাঠ করে শোনান যথাক্রমে উপ দূতাবাসের কাউন্সিলর (শিক্ষা ও ক্রীড়া) রিয়াজুল ইসলাম, কাউন্সিলর (কনস্যুলার) এ এস এম আলমাস হোসেন।  

পরে বাংলাদেশ গ্যালারিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। মুজিবনগর দিবস নিয়ে আলোচনা করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত।

১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিলের মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় ঐতিহাসিক শপথ অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা বিস্তারিত তুলে ধরে সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। এ ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সমাপনী বক্তব্যে উপ-হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাঙালির অধিকার আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর দিকনির্দেশনামূলক নেতৃত্বের কারণে জাতীয় চার নেতা নিশ্চিত করেছিলেন যে, বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে বাংলাদেশের মাটিতেই শপথ নেবে। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ ঐতিহাসিক মুজিবনগরে বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণের কারণে মুক্তিযুদ্ধে চলাকালীন আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সমর্থন আদায় সহজতর হয়।  

তিনি বর্তমান অভাবনীয় উন্নতির উদাহরণ দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরিত হতে এগিয়ে চলেছে, যা এক সময়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপ নেবে। উপ-হাইকমিশনার এ লক্ষ্য পূরণে অংশ নিতে সবাইকে আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন উপ-হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক), শেখ মারেফাত তারিকুল ইসলাম। সর্বশেষে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেখানে হামলা চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। তাই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশ সরকারের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল কলকাতায় শ্রী অরবিন্দ ভবন (৮, শেক্সপিয়ার সরণি) থেকে।  

বাংলাদেশ সময়: ১৯০৭ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৭, ২০২৪
ভিএস/আরআইএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।