ঢাকা, রবিবার, ২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ০৭ শাওয়াল ১৪৪৬

আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিনের ৩৯ হাজার শিশুর কেউ এতিম, কেউ অনাথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭০২ ঘণ্টা, এপ্রিল ৫, ২০২৫
ফিলিস্তিনের ৩৯ হাজার শিশুর কেউ এতিম, কেউ অনাথ

গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলায় ৩৯ হাজারেরও বেশি শিশু তাদের বাবা অথবা মা, বা দুজনকেই হারিয়েছে।

ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর মতে, ‘আধুনিক ইতিহাসের বৃহত্তম অনাথ শিশু সংকটের’ মুখোমুখি হয়েছে গাজা।

যেখানে দীর্ঘমেয়াদী ইসরায়েলি আক্রমণে কয়েক হাজার শিশু বাবা-মার যত্ন ছাড়াই বেঁচে আছে।

গত ৫ আগস্ট ফিলিস্তিনে শিশু দিবস পালিত হয়। ঠিক এ সময়ই এক বিবৃতিতে ব্যুরো নিশ্চিত করেছে, গাজায় ৫৩৪ দিনের বোমাবর্ষণে ৩৯ হাজার ৩৮৪ জন শিশু অনাথ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ১৭ হাজার শিশু এতিম হয়ে গেছে।

এদিকে, ইউনিসেফের বরাত ‍দিয়ে ফিলিস্তিনিদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থান সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) প্রধান ফিলিপ লাজারিনি জানিয়েছেন, গত ১৮ মার্চ ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি ভেঙে গাজায় ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। গাজায় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ জন ফিলিস্তিনি শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে।

তিনি এই পরিস্থিতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। দুঃখ প্রকাশ করে ফিলিপ বলেন, শিশুদের তৈরি নয় এমন একটি যুদ্ধে তাদের নিহত হওয়া দুঃখজনক। গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ১৫ হাজার শিশু নিহত হয়েছে। যা মানবতাকে কলঙ্কিত করছে। শিশুরা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের হত্যা করাকে কোনোভাবেই সমর্থন করা যায় না। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান ফিলিপ লাজারিনি।

এদিকে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ২৫০ জনে। তাদের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, পুনরায় ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২২ জনে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৬ জন নিহত ও ২৮৭ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় মোট মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ৬০৯ জনে পৌঁছেছে। গাজায় আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৬৩ জনে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭০২ ঘণ্টা, এপ্রিল ৫, ২০২৫
এমজে

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।