ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

জাতীয়

ঈদের তৃতীয় দিনেও রমনা পার্কে বিনোদনপ্রেমীদের ভিড়

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০৪৭ ঘণ্টা, এপ্রিল ২, ২০২৫
ঈদের তৃতীয় দিনেও রমনা পার্কে বিনোদনপ্রেমীদের ভিড় রমনা পার্কে প্রবেশের পথে মানুষের ভিড়। ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: স্বস্তির ঈদের তৃতীয় দিনে নানান বয়সীর মানুষের ঢল নেমেছে রাজধানীর রমনা পার্কে। বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেলে রমনা পার্কে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এর মধ্যে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে শিশু চত্বরে।

ঈদের দিন ও ঈদের দ্বিতীয় দিনেও পরিবার-পরিজন নিয়ে পার্কে সময় কাটাতে এসেছিলেন অনেকে। তবে আজকে বিনোদনপ্রেমীসহ শিশুদের উপস্থিতি গত দুই দিনের তুলনায় বেশি ছিল।   

সরেজমিনে পার্ক ঘুরে দেখা গেছে, দুপুরের পর মানুষ আসতে থাকে। বিকেলের দিকে নানান বয়সী মানুষের ঢল নামে। এরমধ্যে অনেককে ঘাসের ওপর বিছানার চাদর মেলে আড্ডা দিতে দেখা গেছে। কেউ আবার লেক ঘেঁষে নির্মিত ওয়াকওয়েতে দল বেঁধে আড্ডায় মেতে ছিলেন। অনেকে লেকে বোট রাইড উপভোগ করেছেন।

শনির আখড়া থেকে ৫ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন আজিজুল ইসলাম। তিনি জানান, রাজধানীতে তেমন একটা খোলা পরিবেশ নেই। গাছের ছায়ায় প্রাকৃতিক পরিবেশও নেই। তাই রমনা পার্কে ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে এসেছি। শিশু চত্বরে থাকা বিভিন্ন খেলনার সামগ্রীতে আনন্দে মেতে উঠেছে ছেলে। তবে বাচ্চাদের চত্বরে অনেক ভিড়। তবুও শিশুরা অনেক আনন্দ-মজা পেয়েছে।  

মগবাজার থেকে পরিবারের সব সদস্যকে নিয়ে পার্কে সময় কাটাতে আসা খায়রুল ইসলাম জানান, রমনা পার্ক বাসা থেকে মোটামুটি কাছে। তাই এখানে স্ত্রীসহ দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে সময় কাটাতে এসেছি। প্রথমে মনে করেছিলাম মানুষ কম হবে। এসে দেখি মানুষের ঢল নেমেছে। তারপরও স্বস্তির ঈদে প্রাকৃতিক পরিবেশে কিছুটা সময় কাটিয়েছি।

পার্কের ভেতরে থাকা লেকে সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে বোট রাইড করেছেন পান্থপথ থেকে আসা নজরুল ইসলাম। বেসরকারি অফিসে কর্মরত এই চাকরীজীবী জানান, বিনোদেনের জন্য স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে এসেছি। লেকে বোটরাইড করেছি। মোটামুটি ভালোই সময় কাটাচ্ছি।  

তবে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত শিশুপার্ক উন্নয়নের নামে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় বিরক্ত বংশালের হোসেন মিয়া। তিনি জানান, সব সময় ঈদে রাজধানীবাসী তাদের সন্তানদের নিয়ে শিশুপার্কে ঘুরতে আসতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এটা বন্ধ। আমরা চাই এটা দ্রুত উন্নয়ন করে খুলে দেওয়া হোক। কারণ, রমনা পার্কে শিশুদের জন্য স্বল্প পরিসরে কিছু খেলার সামগ্রী আছে। তা পর্যাপ্ত নয়।

বাংলাদেশ সময়: ২০৪২ ঘণ্টা, এপ্রিল ০২, ২০২৫
ইএস/এসএএইচ  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।