ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কথিত উপদেষ্টা পরিচয় দেওয়া মিয়া আরাফি সেদেশের সরকারের কেউ নয় বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। বুধবার (২ নভেম্বর) ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ম্যাথু মিলার এ কথা জানান।
গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিয়া আরাফির বক্তব্য ও প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে একদিনে তার ১০ থেকে ২০টি মেসেজ পাঠানোর দাবির প্রসঙ্গটি ওঠে মিলারের ব্রিফিংয়ে।
প্রশ্ন করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে বিব্রত করার জন্য ওয়াশিংটন কি মিয়া আরাফি বা তার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে? জবাবে পররাষ্ট্র দপ্তরেরর মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেন, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বলেছে, ওই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কেউ নন। এর বাইরে ওই ব্যক্তির কর্মকাণ্ড নিয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্য চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেসে বিএনপির হামলার অভিযোগও ওঠে ব্রিফিংয়ে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিকে সহিংসতা ছেড়ে নির্বাচনে অংশ নিতে বলবে কি না জানতে চাইলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরেরর মুখপাত্র বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দায়িত্ব সব রাজনৈতিক দল, ভোটার, সরকার, নিরাপত্তা বাহিনী, নাগরিক সমাজ—সবার। এ বিষয়টি আমি গত মঙ্গলবার এবং তার আগেও অনেকবার বলেছি। শান্তিপূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন—বাংলাদেশের জনগণ যা চায় যুক্তরাষ্ট্রও তা চায়। ’
অবশ্য, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বক্তব্য দেওয়ার পরদিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার প্রাক্কালে মিয়া আরাফিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি এখন কারাগারে আছেন।
বাংলাদেশ সময়: ১১৩৩ ঘণ্টা, নভেম্বর ০২, ২০২৩,
টিআর/এইচএ/