বৃহস্পতিবার (০৪ মে) রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক এবং সাক্ষীর জেরা শেষে আদালত ১৯ জন আসামিকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে রায়ের এ দিন নির্ধারণ করেন।
আলোচিত এ মামলাটির বিচার কাজ চলছে নারায়ণগঞ্জ দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কামরুন নাহারের আদালতে।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জাসমীন আহমেদ বাংলানিউজকে জানান, আসামেদের দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেছি এবং শাস্তি দাবি করেছি।
আসামি পক্ষের আইনজীবী বারী ভুইয়া ও খোরশেদ আলম মোল্লা বাংলানিউজকে বলেন, আসামিদের নির্দোষ দাবি করে যুক্তি তুলে ধরেছি। আদালতের কাছে আমরা ন্যায়বিচার চেয়েছি।
আদালতে উপস্থিত ১৯ আসামি হলেন- মামলার প্রধান আসামি আবুল বাশার কাশু, ডালিম, ইয়াকুব আলী, রফিক, হালিম, রুহেল, শাহাবুদ্দিন, লিয়াকত আলী মাস্টার, সিরাজ উদ্দিন, ইদ্রিস আলী, মোহাম্মদ হোসেন, আবু কালাম, আহাদ আলী, ইউনুছ আলী, জহির উদ্দিন, ফারুক হোসেন, গোলাম আযম, আব্দুল হাই ও খোকন।
এ মামলায় পলাতক রয়েছে, আল-আমিন, রুহুল আমিন, তাজুল ইসলাম ও হারুন।
২০০২ সালের ১২ মার্চ বর্তমান আড়াইহাজার থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের ছোট ভাই বারেক, ফুফাতো ভাই বাদল, আওয়ামী লীগের কর্মী ফারুক ও কবীরকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের পর আগুনে পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে তৎকালীন গোপালদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার কাশু ও তার লোকজন।
এ ঘটনায় ২৩ জনকে পুলিশ অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
জানা যায়, এ হত্যাকাণ্ডের পর নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে প্রভাবশালী আবুল বাশার কাশু বিএনপির নেতা-কর্মী নিয়ে ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
বাংলাদেশ সময়: ২১২৫ ঘণ্টা, মে ০৪, ২০১৭
জিপি/এমজেএফ