বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সৈয়দ কামাল আহমদ বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ৩নং ওয়ার্ডের ওই কেন্দ্রে ১০টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরইমধ্যে একজন প্রিজাইডিং অফিসারসহ ৩১ জন নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার থাকবেন ১০ জন ও পোলিং অফিসার ২০ জন। বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন প্রায় অর্ধশত পুলিশ ও আনসার সদস্য। তারা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
গত ২৫ এপ্রিল পৌরসভার ১০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও ৩নং ওয়ার্ডের কসবা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে ওই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করা হয়। ফলে ঝুলে যায় বিয়ানীবাজারের প্রথম মেয়রের নাম।
নির্বাচন কমিশনের উপ সচিব মো. নুরুজ্জামান তালুকদার স্বাক্ষরিত এক আদেশে সোমবার ফের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডের কেন্দ্র ছাড়া অন্য ৮টি ওয়ার্ডের ৯টি কেন্দ্রের ফলাফলে বেসরকারিভাবে মেয়র পদে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আবু নাসের পিন্টু ১৫৪ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৬২৫। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুস শুকুর ৩ হাজার ৪৭১ ভোট পান।
এছাড়া ৩ হাজার ৩০৪ ভোট নিয়ে ৩য় অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (জগ প্রতীক) বর্তমান প্রশাসক তফজ্জুল হোসেন।
বাতিল হওয়া ৩নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৩ হাজার ৩শ’ ৮৮। তাদের ভোটের মাধ্যমেই বিজয়ী প্রার্থী হবেন বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রথম মেয়র।
বাংলাদেশ সময়: ১৩৪৮ ঘণ্টা, মে ০৭, ২০১৭
এনইউ/আরআর/জেডএস