নিহতরা হলেন- মহানগরীর সাধুরমোড় এলাকার সোলাইমান আলীর ছেলে বিশাল হোসেন (২০) ও তার ভাগ্নে হাসিবুল ইসলাম হাসিব (১৭)। হাসিবুল মহানগরীর বড়কুঠি এলাকার টুটুল হোসেনের ছেলে।
দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগ নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেখান থেকে তাদের হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। কিন্তু ওয়ার্ডে ইসিজি করার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন খান বাংলানিউজকে বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে মহানগরীর তালাইমারী নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের মোড়ে সড়কে দু’টি ট্রাক দুইদিক থেকে যাচ্ছিল। ওই সময় শহর থেকে বের হচ্ছিল একটি অটোরিকশা। হঠাৎ অটোরিকশাটি দু’টি ট্রাকের মধ্যে ঢুকে যায়। এতে দুই ট্রাকের চাপায় অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে গুরুতর আহত হন মামা-ভাগ্নে।
দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হাসিবের খালু আরিফ শেখ পুলিশকে জানিয়েছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দু’জন সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে। ছোট বেলা থেকেই হাসিব তার নানা বাড়িতে থাকতো। দুই বছর আগে থেকে সে অটোরিকশা চালাতো। তার অটোরিকশায় চড়েই মামা বিশাল যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন বলে জানান ওসি।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ঘাতক ট্রাক দু’টিকে আটক করলেও চালকরা পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হবে বলেও জানান ওসি শাহাদাত হোসেন খান।
বাংলাদেশ সময়: ১৬২০ ঘণ্টা, মে ০৭, ২০১৭
এসএস/এসআরএস/জেডএস