মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার)-কে আহ্বায়ক করে ৯ সদস্যের ‘সরকারি কর্মচারীদের ভবিষ্যত বেতন-ভাতা নির্ধারণ ও পরিবর্ধনের বিষয় পর্যালোচনা সংক্রান্ত কমিটি’ গঠন করে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৯ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি তাদের জীবন-যাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার এবং মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয়নের উপায় নির্ধারণের লক্ষ্যে সার্বিক বিষয় বিচার-বিশ্লেষণপূর্বক একটি সুচিন্তিত সুপারিশমালা প্রণয়ন করবে বলে কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা বিভাগ ও পরিসংখ্যান বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক কার্যালয় এবং অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি রাখা হয়েছে কমিটিতে।
কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে অর্থ বিভাগ।
কমিটিকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সুপারিশ সম্বলিত প্রতিবেদন সরকারের কাছে পেশ করতে বলা হয়েছে।
গত ১২ মার্চ সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির উপায় খুঁজতে এক বৈঠকে এ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
জনপ্রশামন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
ওইদিন অর্থমন্ত্রী নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বলেন, গত বেতন কমিশনে আমরা বলেছি, আর ভবিষ্যতে বেতন কমিশন হবে না। সো, উই অলসো প্রোমিজড- অলটারনেটিভ একটা সিস্টেম করতে হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রাজুয়েলি (বেতন-ভাতা) ইনক্রিজ হবে, এক বছর হবে না, এক বছর হবে। এটা নিয়ে আজকে আলোচনা হলো যে, হাউ ডু ইট… একটা সেল বি ফর্ম। তারা একটা রিপোর্ট দেবে। দেওয়ার পরে আমরা আবার চিন্তা করবো।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫২ ঘণ্টা, মে ০৯, ২০১৭
এমআইএইচ/জেডএস