বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় দেন। এ মামলায় অভিযুক্ত বাকি আটজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শিবগঞ্জ উপজেলার বলিহারপুরের মৃত মো. মেনশাদ মণ্ডলের ছেলে মো. মেহেরাব হোসেন বাচ্চু, মহেষপুরের মো. বাহার উদ্দীনের ছেলে মো. জামাল উদ্দীন ও ছোট মহেষপুরের আব্দুস সাত্তার সেতাবের ছেলে মো. হযরত আলী।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নিহতের স্ত্রী সায়েরা খাতুন, ছোট মহেষপুরের মৃত রবুর ছেলে মো. আসলাম, মো. আলাউদ্দীনের ছেলে মো. মোহবুল, পরানপুর বলিহহারপুরের মো. মোংলুর ছেলে মো. মিটুল।
জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ রাতে পরকীয়ার জেরে স্ত্রী সায়েরার সহায়তায় পিকনিক করার নাম করে মেহেরাব হোসেন বাচ্চুর নেতৃত্বে আসামিরা রাকিব উরফে বাবুকে মহানন্দা নদীতে ডেকে নিয়ে হত্যা করে নদীতে মরদেহ ফেলে দেয়। পরদিন সকালে জেলেদের জালে বাবুর মরদেহ আটকা পড়ে। পরে নিহতের বাবা নাইমুল ইসলাম বাবুর মরদেহ শনাক্ত করেন। এরপর নাইমুল ইসলাম বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। আদালত ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে এ রায় দেন।
এদিকে, রায়ের পর অতিরিক্ত পিপি আঞ্জুমান আরা বাংলানিউজকে জানান, স্ত্রীর প্ররোচনায় আসামিরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তাই আসামিদের উপযুক্ত রায় হওয়ায় সন্তুষ্ট বাদীপক্ষ।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৯ ঘণ্টা, জুলাই ৩১, ২০১৯
এনটি