তিনি বলেন, সিসিকের মশক নিধনকর্মীরা ঘরের বাইরে খোলা জায়গায় এই উৎসগুলো ধ্বংস করতে নিয়মিত কাজ করছেন। তবে বাসার ভেতরে এবং আশপাশের এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে।
বুধবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিষয়ে জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মেয়র।
এছাড়া মশা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সিসিকের স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করার সিদ্ধান্তের কথা সংবাদ সম্মেলনে জানান মেয়র।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, বাসা-বাড়ির বাইরের মশক নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশন সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের বাহক এডিস মশা তিন দিনের বেশি জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে বংশ বিস্তার করে। তাই এডিস মশার বংশবিস্তারের উৎসগুলো নষ্ট করেই ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে মুক্ত থাকা যাবে।
এ বিষয়ে নগরীর প্রত্যেক মসজিদ,মন্দির, গির্জাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নগরবাসীকে সচেতন করে তুলতে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ জানান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, সিটি কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, রেজওয়ান আহমদ, রেজাউল হাসান কয়েছ লৌদি, শান্তনু দত্ত সন্তু, প্যানেল মেয়র-৩ এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জল, ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ, অ্যাডভোকট সালেহ আহমদ সেলিম, সওকত আমীন তৌহিদ, সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম সুমন, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আলম, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা আ ন ম মনসুফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হানিফুর রহমানসহ সিসিকের অন্যন্য কর্মকর্তা- কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ০৪০১ ঘণ্টা, আগস্ট ০১, ২০১৯
এনইউ/জেডএস