স্থানীয়রা জানান, খালের পানি বেড়ে গেলে সাঁকোর অনেকটাই তলিয়ে যায়। তারপরও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকোটি পারাপার হতে বাধ্য তারা।
উত্তর জুরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা খান মাইনউদ্দিন ও ভরতকাঠি গ্রামের বাসিন্দা মহসিন জানান, বিগত দিনে বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি আশ্বাস দিলেও আজ পর্যন্ত আমাদের দুই গ্রামের সংযোগ ও যাতায়াতের জন্য একটি সেতু বা কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি।
আর নির্বাচন এলেই খালটির ওপর সেতু বা ব্রীজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা হাজির হয় গ্রাম দু’টির ভোটারদের কাছে। তবে সেই প্রতিশ্রুতি আজ পর্যন্ত পূরণ হয়নি।
দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা জানান, দুটি গ্রামের জনসাধারণের চলাচল ও যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম খালের ওপর ওই সাঁকোটি। গ্রামবাসীরা সাঁকো দিয়ে পারাপারে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। যদিও এজন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের টেকসই প্রকল্পে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে খালের ওপর দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।
বাংলাদেশ সময়: ০৯০৯ ঘণ্টা, আগস্ট ০১, ২০১৯
এমএস/এইচএডি