বৃহস্পতিবার (০১ আগস্ট) রাজধানীর ধানমণ্ডিতে সংস্থাটির কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক মো. হান্নান খান।
এটি তদন্ত সংস্থার ৭২ তম প্রতিবেদন।
ডিমলা ও নীলফামারীর এ ৯ জন হলেন- মো. একরামুল হক (৭০), মো. আব্দুস সাত্তার (৮০), বকসু মিয়া ওরফে মো. মোকসু মিয়া মজুমদার (৭৭), মো. আব্দুল মালেক (৭২), মো. মোকলেছার রহমান ওরফে খোকা (৭৭), মো. শহীদুল্লাহ সরকার (৭০), মো. নুরুল হক (৬৫), জবেদ আলী (৭১) এবং মো. শাহাদৎ হোসেন (৬৮)। ৯ জনের মধ্যে মো. শাহাদৎ হোসেন (৬৮) পলাতক।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ৪৬ জনকে আটক, ২৫ জনকে অপহরণ, হত্যা ও গণহত্যা ৭ জন, ৩ জনকে ধর্ষণ, ১৫ বাড়ি-ঘর ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয়।
২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর থেকে এ মামলার তদন্ত শুরু হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে ৬টি অভিযোগে মোট ২৩৮ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
আসামিদের মধ্যে একরাম, আব্দুস সাত্তার, খোকা, ও শহিদুল্লাহ জামায়াতে ইসলামী ও শাহাদৎ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বাকিরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৯১৫ ঘণ্টা, আগস্ট ০১, ২০১৯
ইএস/এইচএডি