এদের বেশিরভাগই রাজধানী ঢাকা থেকে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে নিজ এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রায় প্রতিদিনই জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সরকারি ও বেসকারি হাসপাতালে চালু করা হয়েছে বিশেষ ইউনিট।
ডেঙ্গু মোকাবিলায় ফরিদপুরের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
ক্লিনিকগুলোতে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা করাসহ প্রত্যেক ক্লিনিকে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য বেড সংখ্যাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফরিদপুরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আফজাল হোসেন জানান, সর্বোচ্চ সর্তকতার সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০৮ জন, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল এবং প্রাইভেট ক্লিনিকে আরও ৩২ জন ভর্তি রয়েছেন।
ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. গনেশ কুমার আগরওয়ালা জানান, আক্রান্ত হওয়ার পাঁচ দিন পার হলে ‘আজিজি’ ও ‘আইজিএম’ পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ দু’টি পরীক্ষার কিট তাদের হতে পৌঁছায়নি। শুধুমাত্র ‘এনএস-ওয়ান’ এর ১২০টি কিট জেলা পর্যায়ে পৌঁছানো হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৩০ ঘণ্টা, আগস্ট ০৩, ২০১৯
আরএ