মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ভোরে আটক ফরহাদের স্বীকারোক্তির পর তাকে নিয়ে ওই ইউনিয়নের নন্দীখোলা গ্রামের পুকুর থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করেছে মতলব থানা পুলিশ। আটক ফরহাদ একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার আইচ বাংলানিউজকে বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযান শুরু করে পুলিশ। রাতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ফরহাদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলের ওই পুকুরে এক কোনায় কচুরিপানার নিচ থেকে সোহেল রানার মাথা উদ্ধার করা হয়। বিকেলে আটক ফরহাদকে চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত ছাত্রের বাবা জমির হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
ওসি আরো জানান, মামলাটির তদন্তের স্বার্থে হত্যার ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কী-না তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব হচ্ছে না। গ্রেপ্তার হওয়ার পরে জানানো হবে।
রোববার (১৮ আগস্ট) দিনগত রাতে সোহেল রানা পাশের বাড়িতে একটি সুন্নতে খৎনা অনুষ্ঠানে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। সোমবার সকালে তার বাবা জমির হোসেন লোকজন নিয়ে ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ওই পুকুর থেকে মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত সোহেল রানা নন্দীখোলা সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ২০০০ ঘণ্টা, আগস্ট ২০, ২০১৯
এসএইচ