বুধবার (১৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয় হকার্স লীগের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তারা এসব কথা বলেন।
মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, হকারদের পুনর্বাসনের জন্য গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়াসহ বহু এলাকায় কত যে দালান হলো, তার ইয়ত্তা নেই।
হকার নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আজ আপনাদের সংগঠনের ২০ বছর পূরণ হয়েছে। এসময়কালে অনেকগুলো মার্কেট তৈরি হয়েছে। সেসময় আপনার কোথায় ছিলেন? কী করেছেন? নেতাগিরি করতে গিয়ে দু’টি দোকান বরাদ্দ পেয়ে খুশি হয়ে বসে ছিলেন নিশ্চয়!
এসময় হকারদের পাঁচ দফা দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার হকারদের স্থায়ীভাবে পুনর্বাসনের চেষ্টা করে যাচ্ছে।
কামরুল ইসলাম বলেন, ফুটপাত দখল করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমাদের হকাররা সেধরনের জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেন না। যেভাবে তাদের উচ্ছেদ করা হয়, এভাবে উচ্ছেদ না করে তাদের পুনর্বাসনের সুযোগ দিতে হবে। সিটি করপোরেশনের মার্কেটে হকারদের বরাদ্দ পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন করে বড় অংকের টাকা দিয়ে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়। যার কারণে হকাররা দোকান বরাদ্দ পান না। তাছাড়া, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের বড় উৎকোচ দিয়ে দোকান বরাদ্দ নিচ্ছে অনেকে। স্থায়ী পুনর্বাসন ও হলিডে মার্কেট পাওয়া হকারদের অধিকার। এ দাবির প্রতি আমি একাত্মতা ঘোষণা করছি।
বাংলাদেশ জাতীয় হর্কাস লীগের সভাপতি নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, শাহদাত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফ, ঢাকা মহানগরের সভাপতি জামাল হোসেন নূর, সাধারণ সম্পাদক গাজী আফজাল হোসেন প্রমুখ।
সভায় হকার নেতারা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে হকারদের আইডি কার্ড দেওয়া, নির্দিষ্ট স্থানে হর্কাস মার্কেট নির্মাণ ও হকারদের দোকান বরাদ্দ দেওয়া, হকারদের পুনর্বাসনের জন্য চাকরি দেওয়া, হলিডে মার্কেট তৈরি এবং ঢাকা মহানগরের সব হকারদের এক করে সিটি করপোরেশনের আওতায় এনে সরকারি ডিসিআরের মাধ্যমে ট্যাক্স আদায় করা।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫৪ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৬, ২০১৯
ডিএন/একে