ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৩ মে ২০২৪, ১৪ জিলকদ ১৪৪৫

শিল্প-সাহিত্য

আইজিসিসি আয়োজনে আধুনিক বাদ্যযন্ত্রে লোকগানের সুর

ফিচার রিপোর্টার | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০২২৯ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৮, ২০১৯
আইজিসিসি আয়োজনে আধুনিক বাদ্যযন্ত্রে লোকগানের সুর পরিবেশনায় কণ্ঠশিল্পী মৃন্ময়ী। ছবি: শাকিল আহমেদ

ঢাকা: ছয় সদস্যের ব্যান্ড দলের মূল কণ্ঠশিল্পী মৃন্ময়ী। তার সঙ্গে লিড গিটার ও কণ্ঠে অমরিশ, বেস গিটারে পার্থ, কি-বোর্ডে রাকেশ, ড্রামে বিরাজ এবং সহযোগী কণ্ঠশিল্পী হিসেবে কামরিন হাজারিকা। আর এ দলটিই প্রায় দুই ঘণ্টার পরিবেশনায় ভূপেন হাজারিকা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর জনপ্রিয় হিন্দি ও ইংরেজি গানের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সঙ্গীত সন্ধ্যা উপহার দিলো ভারতের আসামের ব্যান্ডদল 'মো অ্যান্ড দ্যা শুটিং স্টারস'।

সোমবার (৭ জানুয়ারি) ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের (আইজিসিসি) আয়োজনে সঙ্গীত সন্ধ্যার এ আসর বসে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে। আয়োজনের শুরুতেই ব্যান্ডদলকে পরিচয় করিয়ে দেন ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের পরিচালক ড. নীপা চৌধুরী।

আয়োজনে মাতৃভাষা অসমীয়ের পাশাপাশি হিন্দি, ইংরেজি গানের পাশাপাশি ছিল বাংলা গানও। মিলনায়তনে যারা এসেছিলেন, তারাও দারুণ উপভোগ করলেন নতুন প্রজন্মের ব্যান্ডদলটির পরিবেশনা।

পরিবেশনার আগে মৃন্ময়ী বলেন, ঢাকায় এটিই তাদের প্রথম সফর। বাংলাদেশে এসে এখনকার মানুষ, খাবার, গানের সুর বেশ ভালো লেগেছে। সে সঙ্গে বাংলাদেশের পোশাকও দারুণ মনে ধরেছে।

নিজেদের সঙ্গীত ধারাকে ফোক ফিকশন উল্লেখ করে তিনি জানান, লোকগানের সুরটাকে ধরে রেখে আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে সঙ্গীত পরিবেশন করেন তারা।

সন্ধ্যায় দলটির প্রথম পরিবেশনাটি ছিল ‘সোনার বরণ’। এর পর অসমীয় ভাষায় তারা গেয়ে শোনান ভূপেন হাজারিকার ‘যখোরা’। এ গান শেষে একে একে গেয়ে শোনান ‘পেহেলি বার’, ‘ক্যায়সি পেহেলি’, ‘আজিব দাস্তান’, ‘লেকিন মেরা দল’, ‘হে দোলা’, ‘কোরাজন এস্পিনাডো’, ‘আই উইল সারভাইব’, ‘জিয়া রে’, ‘দিল দিয়া গালিয়া’, ‘বুম বুম’, ‘ডিসকো দিওয়ানে’, ‘ড্যান্সিং কুইন’, ‘হ্যাভ ইউ এভার সিন দ্যা রেইন’, ‘পারিজাত’, ‘সেনাই মোইযাও’, ‘আজ কি রাত’, ‘ঢুনকি’, রবীন্দ্রনাথের ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’, ‘সেনোরিটা’, ‘ম্যায় তেনু সামঝাওয়া’, ‘ঘুম ঘুম’। সবশেষে দলটি গেয়ে শোনান ‘বিনু’ গানটি।

বাংলাদেশ সময়: ০৯২৫ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৭, ২০১৯
এইচএমএস/আরআইএস/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।