মেকআপ করার আগে অনেকেই প্রাইমার ব্যবহারকে সময়সাপেক্ষ ও অপ্রয়োজনীয় মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে এটি আপনার বিউটি রুটিনের একটি অপরিহার্য অংশ।
ত্বককে যদি একটি ক্যানভাস ধরা হয়, তবে সেটিকে নিখুঁতভাবে প্রস্তুত করার কাজটি করে প্রাইমার। আসুন জেনে নিই এর উপকারিতা-
ফাউন্ডেশনের আগে প্রাইমার ব্যবহার করলে ফলাফল চোখে পড়বে দ্রুতই। মুখের বড় রোমকূপ, লালচে ভাব ও খুঁত ঢেকে দেয় প্রাইমার। এতে পাওয়া যায় মেকআপের জন্য সুন্দর একটি বেজ। প্রাইমারের প্রধান উপাদান হলো সিলিকন, যা মুখে সিল্কি টেক্সচার তৈরি করে।
ফাউন্ডেশন সরাসরি ত্বকে লাগালে কিছু সময় পরেই তৈলাক্ত ভাব চলে আসে, যা অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করে। এ সমস্যা সমাধানে প্রাইমার কার্যকর ভূমিকা রাখে। রূপচর্চার রুটিন শেষে মুখে প্রাইমার লাগিয়ে নিন, তারপর ফাউন্ডেশন ও পাউডার ব্যবহার করুন। এতে মেকআপ দীর্ঘ সময় স্থায়ী হবে ও সুন্দর দেখাবে।
মুখে ব্রণের দাগ, গর্ত কিংবা লালচে ভাব ঢাকতেও প্রাইমার সহায়ক। এ ক্ষেত্রে টিন্টেড প্রাইমার ভালো কাজ করে, যা একইসঙ্গে ত্বকের নানা সমস্যা সমাধান করে। সবুজ বা হলুদ আভাযুক্ত প্রাইমার মুখের লালচে দাগ কমায়, অন্যদিকে পিচ ও ল্যাভেন্ডার শেডের প্রাইমার কালো দাগ হালকা করতে সাহায্য করে।
ফাউন্ডেশনকে দীর্ঘস্থায়ী করাও প্রাইমারের একটি বড় ভূমিকা। এটি মুখকে স্বাভাবিক রেখে পরবর্তী মেকআপের জন্য নিখুঁত বেজ তৈরি করে দেয়। ফলে লাঞ্চের সময় চটজলদি টাচ-আপের দরকার পড়ে না।
তৈলাক্ত থেকে শুরু করে শুষ্ক সব ধরনের ত্বকের জন্যই প্রাইমার উপকারী। এতে থাকা হায়ালুরোনিক এসিড ও গ্লিসারিন ত্বকে আর্দ্রতা ও নমনীয়তা যোগ করে, যা ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে। আর যদি ত্বক ড্যামেজড বা বলিরেখাপূর্ণ হয়, তবে ময়েশ্চারাইজিং প্রাইমার ব্যবহার করা উচিত।
আরবি