ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহযোগিতায় পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগেই এই ইফতার সামগ্রী পাঠানো শুরু হয়। যা এখনও চলছে।
প্রতিদিন উপত্যকায় ৭ হাজার ৫শ’ ইফতারির প্যাকেট বিতরণ করা হচ্ছে এবং এই কার্যক্রম পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত চলবে।
উপত্যকার আশ-শুজায়িয়া এলাকায় বিশেষভাবে এই কার্যক্রম চালাচ্ছে ইরান। ২০১৪ সালে ইহুদিবাদী ইসরাইলি আগ্রাসনে এই এলাকাটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছিল।
গাজাবাসীর জন্য পাঠানো ইফতারির প্যাকেটে রয়েছে চাল, গরুর গোশত, মুরগীর গোশত, মাছ, খোরমা, সবজি এবং পানীয়। ক্ষেত্রবিশেষ রান্না করা ইফতারও বিতরণ করা হচ্ছে।
ইফতার বিতরণের ক্ষেত্রে শহীদ ও আহত ফিলিস্তিনিদের পরিবার, ইসরাইলি কারাগারে আটক ব্যক্তিদের পরিবার এবং যারা যুদ্ধে তাদের সহায়-সম্বল হারিয়েছে তাদের পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
গত কয়েক বছর ধরে গাজা উপত্যকায় এমন সাহায্য কার্যক্রম চালিয়ে আসছে ইরান।
ইহুদিবাদী ইসরাইল গত ১০ বছর ধরে গাজা উপত্যকার ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। উপত্যকাটি তিনদিক দিয়ে ইসরাইল বেষ্টিত এবং এর একদিকে রয়েছে সাগর।
তবে গাজার ফাতাহ এলাকার সঙ্গে মুসলিম দেশ মিসরের কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত থাকলেও তেল আবিবের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ওই সীমান্ত বন্ধ করে রেখেছে কায়রো।
ইসলাম বিভাগে লেখা পাঠাতে মেইল করুন: [email protected]
বাংলাদেশ সময়: ১৪৩৬ ঘণ্টা, জুন ০৩, ২০১৭
এমএইউ/