ঢাকা: রোববার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন সভাকক্ষে বিশ্ব দাবা সংস্থার এশিয়ান জোনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করায় রাজেশ হরি জোশিকে ও কমনওয়েলথ দাবা অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হওয়ার ফলে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক গাজী সাইফুল তারেককে সংবর্ধিত করেছে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশ।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।
‘বাংলাদেশ প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব পায় ১৯৮৫ সালে। এরপর আরো চারজন এই মিছিলে যুক্ত হয়। কিন্তু বাংলদেশের পরে গ্র্যান্ডমাস্টার পেয়েও ভারত অনেক এগিয়ে আছে। ' কথাগুলো বলছেন এশিয়ান দাবা জোনের প্রেসিডেন্ট রাজেশ হরি জোশি। তার কথাতেই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল বাংলাদেশের বর্তমান দাবার দুর্দশার অবস্থা।
তিনি আরো বলেন, ‘স্কুল দাবা ছাড়া কোন ভাবেই দাবার উন্নতি সম্ভব নয়। এ হিসেবে ভারতের তামিলনাড়ুর কথা না বললেই নয়। একটি প্রদেশ এখন একটি দেশের দাবার অন্যতম ধারক বাহক। তবে সরকার বা বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর সাহায্য ছাড়া কোন ভাবেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। ’
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দাবা ফেডারেশনের সকলের মুখেই ছিল একটি কথা, তারা বঙ্গবন্ধু গ্র্যান্ডমাস্টার নামে একটি অন্তর্জাতিক দাবা টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায়। আর এ জন্য তাদের প্রয়োজন প্রায় ৩ কোটি টাকা। এ বিষয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়।
প্রধান অতিথি কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আমি শুভেচ্ছা জানাতে চাই এশিয়ান জোনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করায় রাজেশ হরি জোশিকে ও কমনওয়েলথ দাবা এসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক গাজী সাইফুল তারেককে। আওয়ামীলীগ সরকার সবসময়ই ক্রীড়াবান্ধব। আমি অবশ্যই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের বিষয়টি বললো। ’
এছাড়া অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব শাহেদ রেজা। এছাড়া দাবা ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মোকাদ্দেস হোসেন, যুগ্ন সম্পাদক মোরসালিন আহমেদ তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৪০ ঘন্টা, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৫