প্রথম ধাপে শহরের আরামবাগ এলাকায় মরিয়ম নেছা একাডেমি থেকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পর্যন্ত রাস্তাটি আরসিসি ১৬ ফিট প্রশস্ত ও এক ফিট উঁচু করণের কাজ শুরু করেছেন তিনি।
এদিকে রাস্তা প্রশস্ত করণে প্রথমে এলাকাবাসী জায়গা ছাড়তে রাজি না হলেও, মেয়রের পরিকল্পনা ও তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ শহর গড়ার কথা চিন্তা করে অনেকে নিজ দায়িত্বে গেটওয়াল বাড়ি ও গাছ সরিয়ে নিচ্ছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম বলেন, এর আগে কোনো মেয়র দেখতেও আমাদের এলাকা দেখতে আসেননি। আমরা রাস্তায় রিকশা নিয়ে আসতে পারতাম না। বর্তমান মেয়র দিনরাত ঘুরে ঘুরে নিজেই সমস্যা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আমরা তাকে সব কাজে সহযোগিতা করবো।
তরুণ নাগরিক হাসিবুর রহমান বলেন, এই এলাকায় কোনো দুর্ঘটনা হলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে পারে না, মানুষ অসুস্থ হলে অ্যাম্বুলেন্সও আসতে পারে না। নতুন মেয়রের উদ্যোগে স্বাগত জানাই। রাস্তা বড় হলে সবাই সুবিধা ভোগ করবে।
রাস্তা কাজের ঠিকাদার বাপ্পি বলেন, আমি প্রথমে কাজ করতে অনেক চ্যালেঞ্জ মনে করলেও সবার আন্তরিকতায় এখন আরও দ্রুত কাজ করতে পারছি।
পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি পটুয়াখালী পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও নাগরিকদের বসবাস যোগ্য শহর বানাতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। সব কাজের জন্য নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। আস্তে আস্তে সব কাজেই করবো ইনশাআল্লাহ। শহরে উভয় দিকে সমান রাস্তা থাকা একটি আদর্শ শহরের বৈশিষ্ট্য। তাই পর্যায় ক্রমে অনেক রাস্তা প্রশস্ত করণে কাজ শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৪০৪ ঘণ্টা, জুলাই ১৬, ২০১৯
এএটি