মঙ্গলবার (১৮এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে জেলা শহরের আসামবস্তির নারকেল ফার্ম এলাকায় এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার।
আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক নীহার আসামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষিকা শ্রীমতি প্রভা দেবী, আসামের (ভারত) তেজপুর সভাপতি শেখ সাহাব উদ্দীন, রাঙ্গামাটির শিক্ষাবিদ প্রফেসর মংসানু চৌধুরী, এমএন লারমা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিজয় কেতন চাকমা, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের রাঙ্গামাটির সহ সভাপতি শক্তিপদ ত্রিপুরা, আদিবাসী লেখক ও জুম ঈসথেটিক্স্র’র সভাপতি কবি শিশির চাকমা প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঊষাতন বলেন, বাংলাদেশ তথা পার্বত্য চট্টগ্রামে ১১টি জাতি সত্ত্বা থাকলেও অহমিয়া, গোর্খা এবং মণিপুরী জনগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ থেকে সরকারকে বলা হয়েছে। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। যার কারণে কোনো কোটা চালু ব্যবস্থা করা যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, আমি এদিক দিয়ে ব্যর্থ আপনাদের জন্য কিছু করতে পারিনি। কিন্তু আমাদের চেষ্টা চলছে। এজন্য অহমিয়া জনগোষ্ঠী চাকরি-বাকরি থেকে পিছিয়ে রয়েছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচটি ভাষায় সরকার স্কুলে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করলেও সাঁওতালের ভাষায় কোনো বই তৈরি করেনি। কেননা সাঁওতালের নিজস্ব কোনো হরফ নেই, যার কারণে বাংলায় তাদের বই রচনা হবে নাকি ল্যাটিন ভাষায় রচিত হবে এ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
ঊষাতন বলেন, আমাদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বললে আমাদের খারাপ লাগে। তারপরও বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এটাই সবচেয়ে ভালো লাগে।
এসময় পাহাড়ে ক্ষুদ্র জাতি সত্ত্বাকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ২১০৭ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৮, ২০১৭
আরবি/আরএ