মুক্তমত
কোহিনুর মিয়ার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি হয়েছে। খুনের মামলার ওয়ারেন্ট! বিএনপি-জামায়াত জমানার সেই দলবাজ দাপুটে পুলিশ অফিসার কোহিনুর
শান্তি বাহিনীর সশস্ত্র একটি দলের সঙ্গে দেখা হয়েছিল একবার। সখেদে নয়। পথ থেকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল। পায়ে হেঁটে বাংলাদেশ ভ্রমণের সময়
সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্য (MDG) অর্জনের একটি অন্যতম শর্ত হচ্ছে আগামী ২০১৫ সালে পৃথিবীর দারিদ্র্যের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনা। এর
বিরোধীদল থেকে হুমকির পর আভিধানিকভাবে এখনো সংবিধান ছুড়ে ফেলা বা ডাস্টবিনে নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেনি। তবে উচ্চ আদালতের বিচারকের দিকে
বাংলাদেশের আড়ং থেকে দু-তিনটি ফতোয়া এনেছিলাম বড় শখ করে, সামারে পড়বো বলে। তা আর হয়ে উঠছিলো না। আজ সহসাই যেনো প্রকৃতি বদলে গেলো। দমকা
অসুখ-বিসুখ বাড়লেই সিডনি চলে আসেন কাজী জাফর আহমদ। অস্ট্রেলিয়ার রেসিডেন্সি থাকাতে তার এখানে চিকিৎসা ফ্রি। পুরনো পরিচয়ের সূত্রে
শান্তিচুক্তির এক যুগ পার হলেও শান্তি আসেনি পাহাড়ে। আদিবাসী পাহাড়ি ও পুনর্বাসিত বাঙালিরা পারস্পরিক বিরোধে জড়িয়ে পড়ছে ক্রমশ। গত ১০
মানবজীবনের অনেক নৈতিকতা বোধই ধর্ম থেকে উৎসারিত এবং ধর্মশাস্ত্রে সংজ্ঞায়িত। এই নৈতিকতার মূল লক্ষ্য হলো সমাজজীবনে শৃঙ্খলা আনয়ন।
সিডনি:“আপনার কাছে দূঃখিত এটম ভাই। কিন্তু ফোনে এখনও সে কথা বলার সাহস করতে পারিনি। অথচ আমাদের প্রত্যাশার কাজটা তেমন আহামরি কঠিন
একেবারেই কাকতালীয় মামুনের সঙ্গে পরিচয়টা। ট্রেনে এক বাঙ্গালি ভদ্রলোক ফোনে জোরে শব্দ করে কথা বলছিলেন। এদেশে অভিবাসী অনেকে এই
সিডনি: একটা সরকারের দল চালাতে কিছু ভালো লোকজন লাগে। লক্ষীপুরের খুনি বিপ্লবকে আওয়ামী লীগ তেমন পদের কেউ মনে করেই কি এত বড় আত্মঘাতী
আবারো পত্রিকায় শিরোনাম আবু তাহের। কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম হত্যাবার্ষিকীর আগের দিন থেকে যে তাহেরকে নিয়ে শিরোনাম তিনি অন্য তাহের,
সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের বাঙালি কমিউনিটি নিয়ে একটি লেখা পত্রিকায় প্রকাশের পর ঢাকার ধানমন্ডি থেকে জনাব আবুল হোসাইন লিখলেন : ‘মেনি
প্রয়াত জাসদনেতা ইঞ্জিনিয়ার নজীর আহম্মেদকে নিয়ে গত ৯ জুলাই বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম- এর মুক্তমত কলামে প্রকাশিত তার ছোট ছেলে রুদ্র
ঢাকা: ‘রোম যখন পুড়ছিলো নিরো তখন বাঁশি বাজাচ্ছিলো। ভিকারুননিসা যখন কাঁদছিলো মেনন তখন বিদেশ সফর করছিলো।’রাষ্ট্রবিপ্লবের স্বপ্ন
বাংলাদেশ সরকার গত ১৬ জুন বঙ্গোপসাগরের ১০ ও ১১ নম্বর ব্লকে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য মার্কিন বহুজাতিক সংস্থা কনোকো-ফিলিপসের সাথে
‘কথা কও না বাপ! কথা কও; আর ঘুমাইয়া থাকিও না।‘ বুকের মানিককে হারিয়ে মা মূর্ছা গেছেন, বাবার বুক চাপড়ানোর আর্তনাদ, ভাই-বোনের আহাজারিতে
আমি পেশায় শিক্ষক। পরিমল জয়ধর ঢাকার একটি নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ’- এর শিক্ষক। আমার মতো এই
দৃশ্যটি খুবই বেদনাদায়ক, সংলাপগুলো লজ্জাকর। জাতীয় সংসদের একজন হুইপকে ‘শুয়োরের বাচ্চা, চড় মেরে তোর দাঁত ফেলে দেব’ বলে গালি
মেধাবিকাশের চর্চা আর গবেষণা থেকে পিছিয়ে পড়লে কী ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে, তা নিশ্চয়ই অনুধাবন করতে আমাদের আরো সময় নিতে হবে না। সারা
পুরোনো সংবাদ গুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন